হজ মুসলিমদের পবিত্র ইবাদত। কয়েকটি শর্তে ফরজ ইবাদতের একটি। কিন্তু হজকে ঘিরে চলা নানা অনৈতিক ক্রিয়াকর্ম এর পবিত্রতায় ছেদ ফেলছে কিনা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত কোটা খালি রেখে হজফ্লাইট শুরু হওয়াও এ অনৈতিকতার জের
ইবাদত
শুরু হয়েছে রমজানের শেষ দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিনের বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করতেন।
ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মাঝে রোজাকে সব থেকে ব্যতিক্রমী এবং একমাত্র লৌকিকতা মুক্ত ইবাদত বলা হয়। কারণ, মুমিন যত ধরনের ইবাদত করে তা অন্যরা দেখতে পায়। মানুষের চোখের আড়ালে সাধারণত কোনো ইবাদত করা যায় না।
নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়।
জাকাত ফরজ ইবাদত এবং ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। পবিত্র কোরআনে যেখানে নামাজের কথা এসেছে, সেখানেই দেখা যায় জাকাতের কথা। ‘নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে, সালাত প্রতিষ্ঠা করেছে এবং জাকাত দিয়েছে, তাদের প্রতিদান রয়েছে তাদের রবের নিকট।
পবিত্র রমজানকে হাদিসে ‘শাহরুল আজিম’ ‘শাহরুল মুবারাকাত’ বলা হয়েছে। এ মাসের সব মুহূর্ত, সব কাজ মহাপ্রভুর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিবেদন করাই মুমিন বান্দার একমাত্র কর্তব্য। এ মাসের শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, পরিশীলন ও অধ্যাত্মজাগরণে মানুষ প্রমাণ রাখে তার শ্রেষ্ঠত্ব ও মহান স্রষ্টার ‘প্রতিনিধিত্বে’র যোগ্যতা।
রমজান মুসলিম উম্মাহর দরবারে সংযম, আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধির বার্তা বয়ে আনে। সারা দিনের সাওম পালন শেষে সূর্যাস্তের আগে ইফতার নিয়ে অপেক্ষমাণ মু’মিন বান্দা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যের বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। রমজানের পাঁচটি সুন্নতের দ্বিতীয়টি হলো ইফতার। ইফতারের মাধ্যমে সারা দিনের উপবাসের ক্লিষ্ট যাতনার অবসান হয়ে রোজাদার এক আধ্যাত্মিক তৃপ্তি লাভ করে।
নামাজ ও রোজা ফরজ ইবাদত এবং ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ দুটি রুকন। নামাজ দ্বিতীয় রুকন আর রোজা তৃতীয়। এখান থেকে কোনো ইবাদত শরিয়ত অনুমোদিত ওজর ছাড়া বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
পবিত্র লাইলাতুল বরাত এক মহিমান্বিত রাত। ১৫ শাবান অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক হাদিস রয়েছে। এ বরকতময় রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে।
আগামীকাল শনিবার পবিত্র শবে মেরাজ। এদিন দিবাগত রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজগৃহে কিংবা ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যদিয়ে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করবেন।