গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
ফিলিস্তিন
ইসরাইলি হামলায় শেষ সম্বল বলতে যা ছিল তার সবই যেনো হারিয়ে ফেলছে গাজায় বসবাস করা ফিলিস্তিনিরা। একে একে চোখের সামনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের প্রিয়জন।
গাজায় ইসরায়েলের চলমান বোমা হামলার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে শনিবার হাজার হাজার মানুষ বার্লিনের রাস্তায় নেমে আসে।
ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হাতে বন্দী ইসরাইলিদের মুক্তি দেয়ার শর্তে ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের এই পর্যায়ে বিরতি দেয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে সংঘাত প্রকট রূপ নিয়েছে। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরাইলের হামলায় এ পর্যন্ত সাড়ে আট হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ সালেম আবদুল্লাহ আল-জাবের আল-সাবাহ ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে তাদের অস্বীকৃতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, হামাস-ইসরায়েল সংঘাতে হস্তক্ষেপ না করার জন্য মার্কিন হুঁশিয়ারি মানবে না তেহরান। এ সময় সংঘাত থামাতে পশ্চিমাদের অনিচ্ছার সমালোচনা করেন তিনি।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় হামলা জোরদার করার সাথে সাথে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে শনিবার ফিলিস্তিনিপন্থী হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ব্রিটেনে মিছিল করেছে। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে।
মজলুম ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে মালয়েশিয়ায় একটি বৃহত্তম গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরের আজিয়াটা অ্যারেনা স্টেডিয়ামে ‘ফিলিস্তিনের সাথে রয়েছে মালয়েশিয়া’ শীর্ষক এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম।
ইসরায়েলি হামলায় গাজাসহ আশপাশে এখন পর্যন্ত অন্তত ছয় হাজার ৫৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যা ২ হাজার ৭০৪।