পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে এসব পণ্যের ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণও বেড়েছে। ফলে আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা করছে সরকার।
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি বেড়েছে। একই সঙ্গে এসব পণ্যের ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণও বেড়েছে। ফলে আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা করছে সরকার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ভোজ্য তেল, ডিম, মুরগি, আটা, ময়দা, চাল, পিঁয়াজ ও আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যোগসাজশমূলক মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বগুড়ার বাজারে কমছে না সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। অধিকাংশ সবজিই বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। ফলে এখনও স্বস্তি ফেরেনি।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ধাক্কা এবার পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে। রাজধানীর বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাছের দামও বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা। উত্পাদনস্থল থেকে পাইকারি বাজার এবং সেখান থেকে খুচরা বাজারে পণ্য পরিবহনে বাড়তি ব্যয় যুক্ত হওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। তবে একই সময়ে ডিম, ব্রয়লার মুরগি ও চালের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
আসন্ন রমজান মাসে খেজুরসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
ডলার কেনা-বেচায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না দেশের বেশিরভাগ বাণিজ্যিক ব্যাংক। বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় আমদানিতেও এর দাম বাড়ছে। ফলে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে আরেক দফা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং মিল মালিকদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।
আগামী রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোন সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কেউ যেন সুযোগ না নেয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে জেলাপ্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এলসি জিরো মার্জিন অথবা ন্যূনতম মার্জিন করা হয়েছে।