আল্লাহ কোরআনকে করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের উৎস। তাকে সব জ্ঞানের ভাণ্ডার বানিয়েছেন।
ইসলাম
আজ রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
আয়াতের অর্থ
আর যে আল্লাহর সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য আছে দুটি উদ্যান। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? উভয়ই বহু শাখা-পল্লববিশিষ্ট।
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? উভয় উদ্যানে আছে প্রবহমান দুই প্রস্রবণ।...সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে পুরু রেশমের আস্তরবিশিষ্ট ফরাশে, দুই উদ্যানের ফল হবে নিকটবর্তী। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? (সুরা : আর-রহমান, আয়াত : ৪৬-৫৫)
এশার নামাজের পর থেকে শেষ রাতের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় বিতর নামাজ পড়া যায়। বিতরের নামাজ পড়ার সময় তৃতীয় বা শেষ রাকাতে রুকুতে যাওয়ার আগে দোয়া কুনুত পড়তে হয়।
বাইরে থেকে ঘরে ফেরার সময় পরিবারের সদস্যদের সালাম দেওয়া ইসলামী শিষ্টাচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তোমরা যখন কোনো ঘরে প্রবেশ করবে, তখন পরস্পরের প্রতি সালাম করবে।
হিংসুক ও বিদ্বেষী মানুষ কোনো অবস্থায় স্বস্তি খুঁজে পায় না। তার কোনো সত্বন্ধু জোটে না। তার মনে সব সময় হতাশা কাজ করে। হৃদয় থাকে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের মতো।
যেখান থেকে সর্বদা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র, ধোঁকা ও মিথ্যাচারের স্ফুলিঙ্গ বের হয়। সে সর্বদা নিজেকে বিজয়ী ভাবে। অথচ সে-ই সবচেয়ে পরাজিত। সে নিজেকে বীর ভাবে, অথচ সে-ই সবচেয়ে ভীরু।
দিনের শুরু থেকে শেষ-জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নানা ব্যস্ততায় কেটে যায়। কর্মব্যস্ততা, পরিবার, পড়াশোনা কিংবা ব্যক্তিগত নানা দায়িত্বের ভিড়ে অনেক সময় নিজের আত্মিক প্রশান্তির কথাই ভুলে যাই। অথচ একজন মুমিনের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন সব ব্যস্ততা পাশে রেখে মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ আসে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তেমনই এক অনন্য ইবাদত।
সৌদি বাদশাহ সালমানের বিশেষ ওমরা ও জিয়ারত কর্মসূচির চতুর্থ ও শেষ দলের অতিথিরা মদিনায় পৌঁছেছেন। বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের ২৫০ জন নারী-পুরুষ ওমরাযাত্রী
ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের পরিচয় শুধু তাঁদের বীরত্ব দিয়ে নয়, সততা, বিশ্বস্ততা ও দায়িত্ববোধ দিয়েও স্মরণ করা হয়।
জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহূর্তে বেশি বেশি পড়ুন এ দোয়াটি:
اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
জুমার দিনটি সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় একটি দিন। এই দিনে এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যে সময়ে বান্দা আল্লাহর কাছে যা প্রার্থনা করে, মহান রব তা-ই কবুল করেন।
ঘুমের আগের সময়টুকু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনের কর্মব্যস্ততা ও প্রতিকূলতা অনেক সময় হৃদয়কে উদাসীন ও আল্লাহবিমুখ করে তোলে। তাই ঘুমানোর আগের এ সময়টুকু হৃদয়কে আল্লাহমুখী করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। আর দিনের শেষ মুহূর্তগুলো যদি আল্লাহর স্মরণ, দোয়া, জিকির ও তিলাওয়াতে কাটে, তাহলে ঘুমের মধ্যেও একজন মুমিনের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে সিক্ত থাকে এবং সর্বপ্রকার ক্ষতি ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকে। নবী করিম (সা.) এ সময়ে সবচেয়ে বেশি আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত করতেন।
দিনের শুরু থেকে শেষ-জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নানা ব্যস্ততায় কেটে যায়। কর্মব্যস্ততা, পরিবার, পড়াশোনা কিংবা ব্যক্তিগত নানা দায়িত্বের ভিড়ে অনেক সময় নিজের আত্মিক প্রশান্তির কথাই ভুলে যাই। অথচ একজন মুমিনের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন সব ব্যস্ততা পাশে রেখে মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ আসে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তেমনই এক অনন্য ইবাদত।
আমাদের সমাজে দেখা যায়, মানুষকে তার বাহ্যিক চাকচিক্য, পোশাক-পরিচ্ছদ, ধন-সম্পদ বা পদ-পদবি দিয়ে বিচার করা হয়।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
মানুষ ফেরেশতা নয়। জীবনের পথ চলতে গিয়ে তার দ্বারা ভুল-ত্রুটি ও গুনাহ হয়ে যেতে পারে। কখনো প্রবৃত্তির তাড়নায়, কখনো অসতর্কতায়, আবার কখনো শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ এমন কাজে জড়িয়ে পড়ে, যা তার রব পছন্দ করেন না।