দাম্পত্য জীবন হলো স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের সম্পর্ক। এর উদ্দেশ্য দুনিয়া ও আখিরাতে প্রশান্তি ও সুখ অর্জন করা। এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয়েরই পরস্পরের প্রতি অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে।
ইসলাম
মানুষ জ্ঞান অর্জন করে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বোঝার জন্য, সঠিক ও ভুলের পথ চিনে নেওয়ার জন্য। কিন্তু জ্ঞান যদি মানুষের আচরণে, চরিত্রে ও জীবনে প্রতিফলিত না হয়, তাহলে সেই জ্ঞান তার জন্য কতটা কল্যাণ বয়ে আনল—এ প্রশ্ন থেকেই যায়।
উহুদের ময়দান। চারদিকে তখন প্রচণ্ড যুদ্ধ চলছে। একপর্যায়ে মুসলিম বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। শত্রুর আক্রমণে রাসুলুল্লাহ (স.)-ও গুরুতর আহত হন। এই কঠিন মুহূর্তে যাঁরা নবীজি (স.)-এর চারপাশে অটলভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, হজরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.) ছিলেন তাঁদের অন্যতম।
পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথে আনার কাজই দাওয়াতে তাবলিগের কাজ। এ কাজ কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়।
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সত্যবাদী ও যার কথা সত্যায়িত করা হয়, সেই রাসুলুল্লাহ (সা.) বর্ণনা করেছেন, তোমাদের যেকেউ তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন যাবৎ বীর্য আকারে অবস্থান করতে থাকে। তারপর তা চল্লিশ দিন পরে জমাটবদ্ধ রক্ত-টুকরোতে পরিণত হয়।
নামাজে দাঁড়িয়ে আছেন। মনোযোগ দিয়ে কিরাত পড়ছেন। হঠাৎ চোখে পড়ল সামনে একটি সাপ! মুহূর্তেই ভয় পেয়ে যেতে পারেন। নামাজ ভেঙে ফেলবেন, নাকি নামাজ চালিয়ে যাবেন? সাপটি যদি আপনার দিকে এগিয়ে আসে, তখন কী করবেন? ইসলাম এ পরিস্থিতিরও দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
বিয়ের মাধ্যমে দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যখন বান্দা বিয়ে করে, তখন সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূরণ করে। অতএব, বাকি অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে।’ (মুসতাদরাক হাকিম, হাদিস: ২৭২৮)
মানুষ ভুল করে, গুনাহ করে। তবে গুনাহ হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর দিকে ফিরে আসার দরজা বন্ধ হয়ে যায় না। তাওবা হলো গুনাহ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং জীবনকে সংশোধনের চেষ্টা করা।
যার নামে তার দোষের কথা বলবেন সে অনুপস্থিত, এমন সময় তার নামে কোন দোষের কথা বললেই গীবত হিসেবে বিবেচিত হবে।
মহানবী (সা.) বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অধিকারী সে-ই, যে চরিত্রে উত্তম এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সবচেয়ে বেশি কোমল ও সদয়। (তিরমিজি)
বিয়ের আগে ভবিষ্যৎ স্ত্রীকে নিয়ে তালাকের কোনো শর্ত উচ্চারণ করলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে কার্যকর হবে কি না-এ নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে।
মসজিদ আল্লাহ তাআলার ঘর। এতে তাঁর জিকির ও ইবাদত হয়। তাঁর বড়ত্ব ও মহিমার বর্ণনা হয়। তাঁর তাওহিদ ও রুবুবিয়াতের আলোচনা হয়।
আজ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
বিপদে পড়া মানুষকে আমরা প্রায়ই বলি, ‘সবর করুন।’ কথাটি এত বেশি ব্যবহৃত হয় যে অনেকের কাছে সবরের অর্থ দাঁড়িয়েছে কষ্ট চেপে রেখে নীরবে সয়ে যাওয়া। অথচ কোরআন-সুন্নাহর আলোকে সবরের পরিধি এর চেয়ে অনেক বিস্তৃত। এটি নিষ্ক্রিয়তা নয়, সক্রিয় আত্মনিয়ন্ত্রণ ও অবিচলতার নাম।
কোরআন তেলাওয়াত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। এখন ছাপা মুসহাফের পাশাপাশি অনেকে মোবাইল, ট্যাব বা কম্পিউটারেও কোরআন পড়েন। ফলে তেলাওয়াতের মাঝখানে ফোনে কল, মেসেজ বা নোটিফিকেশন আসা অস্বাভাবিক নয়।
রাসুল (সা.) প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন শিষ্টাচার শিখিয়েছেন। হাঁচির সময় পঠিত দোয়া ও এর উত্তরে কী পড়া হবে তা-ও হাদিসে এসেছে। হাঁচি দেওয়ার পর আল্লাহর প্রশংসা করা সুন্নত। তা শুনলে হাঁচিদাতার জন্য আল্লাহর অনুগ্রহের দোয়া পড়াও সুন্নত। প্রত্যুত্তরে হাঁচিদাতা অন্যদের জন্য কল্যাণের দোয়া করবে।