বকাঝকা ছাড়া শিশুদের শিক্ষা দেওয়ায় বিশ্বাসী জাপানিরা। তারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন, শিশুরা সবসময় মা-বাবাকে দেখেই শেখে। তাই সন্তানের
লাইফস্টাইল
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের তালিকা নিয়ে সচেতন থাকেন অনেকেই। ভাত, রুটি, পাউরুটি কিংবা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
বন্ধুদের সঙ্গে ডিনার, পছন্দের মানুষের সঙ্গে বাইরে খেতে যাওয়া কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে সাজগোজ-সব ক্ষেত্রেই ঠোঁটের সাজে লিপস্টিকের গুরুত্ব আলাদা।
প্রতিদিনের রান্নায় একটু বদল আনতে চাইলে ভরসা রাখতে পারেন লাউ-বড়ির তরকারিতে।
যৌবন ধরে রাখতে, সুন্দর দেখাতে আজকাল নারী-পুরুষ সবাই দারুণ আগ্রহী। কাজেই পোশাক, চুল, ত্বক ও দাড়ির স্টাইল সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে চলতে এবং নিজেকে তরুণ দেখাতে অনেক কিছুই করতে হয়। তবে কি এসবই শেষ সমাধান? মোটেও এমনটা নয়। রূপ বোদ্ধাদের মতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে এবং নিজেকে চিরতরুণ রাখার জন্য ছোট ছোট কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। স্কিন কেয়ার রুটিন ও স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলই উজ্জ্বল-তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের ইচ্ছা পূরণ করবে।
ঘুমের মধ্যে মুখ খোলা রেখে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। বিশেষ করে সর্দি, অ্যালার্জি কিংবা নাক বন্ধ থাকলে এমনটা হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্বাভাবিক বোধ করায় অনেকেই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না। তবে নিয়মিত মুখ খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস মুখের স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে ঘুমের মানেও প্রভাব ফেলতে পারে।
ঋতু পরিবর্তনের সময় হঠাৎ মাথাব্যথা শুরু হওয়া অনেকের জন্যই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা। গ্রীষ্ম থেকে বর্ষা কিংবা বর্ষা থেকে শীতের আগমনে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বায়ুচাপের পরিবর্তন শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে মাথাব্যথার তীব্রতা বা ঘনঘন হওয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে।
বাড়িতে আলুভাজা খেতে ইচ্ছে না করলেও রেস্তোরাঁয় বার্গার বা চিকেন ফ্রাইয়ের সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে ভালোবাসেন।
ঘরে ঘরে সর্দি-জ্বর। জ্বরের সময় অনেকেরই মুখে তেতো ভাব হয়, খাবারের প্রতিও অরুচি তৈরি হয়।
বাঙালির পাতে ভর্তা থাকলে আর তেমন কিছু না হলেও চলে! আলু ভর্তা, শুঁটকি ভর্তা কিংবা বেগুন ভর্তা-গরম ভাতের সঙ্গে নানান পদের ভর্তা খেতে ভালোবাসেন অনেকেই।
দুর্গাপূজায় বন্ধুদের সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা, রাত জেগে আড্ডা আর দীর্ঘক্ষণ হাঁটাহাঁটি—উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন অনেকেই। এই ব্যস্ততার ফাঁকে কেউ কেউ একের পর এক সিগারেটও খান।
বার্গার, স্যান্ডউইচ কিংবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো মুখরোচক এসব খাবারের সঙ্গে মেয়োনিজ না থাকলে যেন স্বাদটাই ঠিক জমে না!
আবহাওয়ার এমন ওঠানামা বেশ অস্বস্তিতে ফেলতে পারে।
শরীরের বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত তরল ছেঁকে বের করতে কিডনি প্রতিনিয়ত কাজ করে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করলেও প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় তা বোঝা যায় না।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা কিংবা কফি পান করা অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। তবে নিয়মিত এসব পানীয় পান করলে কিডনির ক্ষতি হয় কি না, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে।
স্যান্ডউইচ, সালাদ কিংবা প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হতে পারে। কয়েকটি ছোট গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়াতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।