প্রতিবছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ইসলাম
ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রিয় নবি হজরত মোহাম্মাদ সা: মদিনায় হিজরতের পর প্রতি বছর কোরবানি করেছেন। যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করে না তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন।
ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি লোক হজ করছে এবার বলে জানিয়েছেন সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা। আশা করা হচ্ছে, এবার ২ দশমিক ৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ হজ করবে।
কোরবানি ইসলামের অন্যতম একটি শিআর বা নিদর্শন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে—‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো ও পশু কোরবানি করো।’ (সুরা : কাউসার, আয়াত : ২) কোরবানির রক্ত প্রবাহিত করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জিত হয়।
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র মক্কার অলিগলি ও কাবা চত্বর। বিশ্বের নানা প্রান্তের মুসলমানরা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছেন মক্কায়।
একদিন পরই শুরু হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্মিলন পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। আগামী মঙ্গলবার (২৭ জুন) পালিত হবে হজব্রত। এর আগে এবার যারা হজের নিয়ত করেছেন তাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন সৌদি আরবের প্রধান মুফতি ও সিনিয়র উলামা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শায়খ আব্দুল আজিজ আল শায়খ।
হজের খুতবা বিশ্বের সকল মুসলমানের কাছেই খুব আগ্রহের। এজন্য এই খুতবার মাধ্যমে তাদের কাছে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দেয়ার দারুণ এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সৌদি সরকার।
ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ হজের বার্ষিক আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম রোববার থেকে শুরু হবে। সারা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান এই হজ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সন্তানকে কোরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন দেখেন বহু মা-বাবা।
কোরবানি ইসলামের এক অন্যতম নিদর্শন ও গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ইবাদত। এই ইবাদতটি শুধু মুসলমান উম্মতের জন্য নয় বরং পূর্ববর্তী উম্মতের মধ্যেও ছিল। কোরবানি শব্দটি আরবি।
আসন্ন হজের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৬০টির বেশি দেশের ২০ লাখের বেশি মুসল্লি হজ পালন করবেন।
সাফা-মারওয়া সায়ি করা মহান আল্লাহর অনন্য এক নিদর্শন। এটি পবিত্র হজের অন্যতম একটি আমল। হজ ও ওমরায় সাফা-মারওয়া সায়ি করা ওয়াজিব। তবে তা সুন্নত পদ্ধতিতেই করতে হবে, তা না হলে ওয়াজিব আদায় হবে না।
আরবি হিসাবে সর্বশেষ মাস জিলহজ। অনেক ফজিলতপূর্ণ একটি মাস। এই মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা কসম করে বলেন, ‘শপথ প্রভাতের। শপথ ১০ রাতের।’ (সুরা ফাজর: ১-২)
বছরের প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান। কোনো দিনই গুরুত্বহীন বা অবহেলার যোগ্য নয়। তবে কোনো কোনো দিন মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশি মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে। মহিমান্বিত ও ফজিলতপূর্ণ সে দিনগুলোর অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।
ওয়ারিশরা ঋণ আদায় করা বা ঋণদাতা ক্ষমা করা ছাড়া মৃত ব্যক্তি কখনো দায়মুক্ত হবে না। মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে ঋণ আদায় করার পর ওয়ারিশরা অবশিষ্ট সম্পত্তির মালিক হবে।