ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩০ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩০ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

সংগৃহীত

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতো আজও ব্যর্থতার পরিচয় দেয় টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানেরা। আসা যাওয়ার এই মিছিলে ১০০ রানের আগেই সাত উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানে শেষ হয় সফরকারীদের ইনিংস।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) কিংসটাউনে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিজেদের ওপেনিংয়ে পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন লিটন দাস। তবে এতেও লাভ হয়নি। ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী লিটন আজও ফিরে গেছেন খালি হাতেই। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে আকিল হোসেনের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফিরে যান সাজঘরে। তার বিদায়ে ৮ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

লিটনের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন তানজিদ হাসান তামিম। তবে তিনিও আজ ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন। রোস্টন চেইসের বলে বোল্ড হয়ে ৪ বলে মাত্র ২ রান করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। এই দুই ব্যাটারের দ্রুত বিদায়ে ১১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

১১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়েন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজ। জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন তারা। তবে নিজেদের জুটিকে খুব বেশিদূর নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন তারা।

দলীয় ৩৯ রানে রান আউটের শিকার হয়ে সৌম্য সরকার ফিরে গেলে ২৮ রানে ভেঙে যায় এই জুটি। সৌম্যের বিদায়ে ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় টাইগাররা।

সৌম্যের বিদায়ের পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৫ বলে ২৬ রান করে আলজারি জোসেফের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে ব্র‍্যান্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। একপর্যায়ে ১০০ রানের মধ্যেই সাত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। শেষে শামীম হোসেন ১৭ বলে ৩৫ রান করলে ১২৯ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

প্রথম ম্যাচের জয়ী একাদশ থেকে এদিন একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। অফফর্মে থাকা আফিফ হোসেনের বদলি হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজকে একাদশে ডেকেছে টাইগাররা। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাদশে নেই কোনো পরিবর্তন। আগের ম্যাচের দল নিয়েই মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা।