শিক্ষক থেকে লেডি সুপারস্টার, কতটুকু জানেন এই নায়িকা সম্পর্কে?
ছবি: সংগৃহীত
বাহুবলী’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হাত ধরে তিনি গোটা বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণী সিনেমায় অভিনয় করছেন। নারী কেন্দ্রীক সিনেমায় তার জুড়ি মেলা ভার। বলছি সুপারস্টার অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির কথা। জানেন কী, সিনেমায় নাম লেখানোর আগে কোন পেশায় ছিলেন অভিনেত্রী?
২০০৫ সালে বড়পর্দায় অভিষেক হয় আনুশকার। অভিনয় জীবন শুরু আগে বেঙ্গালুরুর ইস্টউড স্কুলে যোগব্যায়ামের শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করতেন তিনি। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ডার্ক ফ্যান্টাসি ছবি ‘অরুন্ধতী’ ছবিতে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তবে ২০১৫ সালে মুক্তি প্রাপ্ত ‘বাহুবলী’ তে ‘দেবসেনা’ চরিত্র তাঁকে রাতারাতি তারকা খ্যাতি এনে দেয়। এ সিনেমার মাধ্যমে ‘লেডি সুপারস্টার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
দুই দশকদের অভিনয় জীবনে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন ৫০টিরও বেশি সিনেমা। এরমধ্যে তেলেগু ও তামিল চলচ্চিত্রের সংখ্যা বেশি। স্কুলশিক্ষিকা থেকে দক্ষিণী চলচ্চিত্র জগতে সফলভাবে পা রাখেন।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তামিল সুপারস্টার অভিনেতা রজনীকান্ত, বিজয়, সুরিয়া, বিক্রম এবং কার্তির মতো তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও তেলুগু সিনেমায় তিনি নাগার্জুন, রবি তেজা, প্রভাস, আল্লু অর্জুন এবং রানা দাগ্গুবাতিসহ সুপারস্টার নায়কের সঙ্গে পর্দা ভাগ করেছেন।
‘বাহুবালী’ সিনেমায় অভিনয়ের সময় প্রভাস-আনুশকা মন দেওয়া নেওয়া করেছিলেন। তবে সম্পর্কের বিষয়ে কখনও মুখ খোলেননি দুই তারকা। বছর দুই আগে জানা যায়, প্রভাসকে ভুলে এক অভিজ্ঞ অভিনেতার প্রেমে পড়েছেন অনুশকা। বিষয়টি জানাজানি হলে দুইজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এই ঘটনার পর নতুন কোনো সিনেমায় বা অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায়নি প্রভাস-আনুশকাকে
বাহুবলীর সাফল্যের পর অনুশকা শেঠি ‘ইঞ্জি ইদুপ্পাঝাগি’ ছবিতে অভিনয় করেন। এ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ওজন বাড়িয়েছিলেন। একজন স্থূলকায় নারী যে ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন, সেই সব মানসিক সংগ্রামগুলো পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছিলেন তিনি। গুঞ্জন আছে ‘ইঞ্জি ইদুপ্পাঝাগি’তে অভিনয়ের পর চলচ্চিত্রের প্রস্তাব কমতে শুরু করে।