খালেদা জিয়ার কবরে নব্বইয়ের ছাত্র ঐক্যের নেতাদের শ্রদ্ধা

খালেদা জিয়ার কবরে নব্বইয়ের ছাত্র ঐক্যের নেতাদের শ্রদ্ধা

সংগ্রহীত ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে নব্বইয়ের ডাকসুর ভিপি ও সেই সময়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের নেতত্বে নেতারা শেরে বাংলা নগরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ করে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময়েয় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান হাবিব, জহির উদ্দিন স্বপন, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, খন্দকার লুৎফর রহমান, নাজমুল হক প্রধান, মীর সরাফত আলী সপুসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, আমরা নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাএ ঐক্যের নেতারা আজকে এখানে দেশনেত্রী আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। তার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছি। তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেছি।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার যে আন্তরিকতা সেটা আজকে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ১৬ বছর শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে, প্রহসনের বিচারের তাকে জেলে পাঠিয়েছে, জেলে নির্যাতন করা হয়েছে, ন্যূনতম চিকিৎসা তাকে দেওয়া হয়নি।

তাকে স্লু পয়জনিংয়ের মাধ্যমে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের দায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা কখনো এড়াতে পারবে না। অবশ্যই শেখ হাসিনাকে জবাব দিতে হবে।

তিনি বলেন, আজকে কী প্রমাণ হয়েছে? তার জানাজায় যে কোটি মানুষের উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন ঐক্যের প্রতীক, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন স্বাথীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন মাদার অব ডেমোক্রেসি.. গণতন্ত্রের মা।

তিনি আরও বলেন, আমার ঠিকানা বাংলাদেশ… আমি বিদেশে যাবো না। বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই। যার জন্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমানকে কীভাবে নির্যাতন করেছে তা আপনারা জানেন। তাকে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। আজকে উনি দেশে ফিরেছেন দেখেছেন কী অভূতপূর্ব সাড়া জেগেছে জনগণের মধ্যে জনগণ তাকে বরণে করেছে স্বস্ফূর্তভাবে ।

গত ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

খালেদা জিয়ার মত্যুতে বিএনপি সাতদিনের শোক পালন করছে। কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তালন করা হয়েছে।