চট্টগ্রাম-২ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ

চট্টগ্রাম-২ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ

ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৯ প্রার্থীর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ফটিকছড়ি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। যাচাই বাছাই শেষে যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ এবং একই দলের মো. ওসমান আলী।

এদিকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া চার প্রার্থী হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার ও আহমদ কবির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব এবং গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসান।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করতে হলে মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটারের নাম ও স্বাক্ষর জমা দিতে হয়। জিন্নাত আকতারের দাখিল করা ভোটার তালিকা যাচাই করে দ্বৈবচয়ন পদ্ধতিতে বাছাই করা ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের তথ্য অসত্য পাওয়া যায়। এমনকি তালিকায় স্বাক্ষরকারী এক ভোটার ২০২৪ সালে মৃত্যুবরণ করেছেন। এসব কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

যথাযথ কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবিরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অসম্পূর্ণ ফরম ও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোনয়নপত্রও বাতিল ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও মো. ওসমান আলীর মনোনয়নপত্রে প্রাথমিকভাবে কিছু নথির ঘাটতি থাকায় তাদের গত শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ায় পরে তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমর্থনকারীর স্বাক্ষরসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রকর চাকমা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।