কুমিল্লার লালমাইয়ে মসজিদ থেকে বের হতেই ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত
সংগ্রহীত ছবি
কুমিল্লার লালমাইয়ে নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হতেই জামাল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যবসায়ীর বুকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মসজিদের মুসল্লিরা হামলাকারী সোহাগ মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে ধাওয়া দিয়ে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বাগমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত জামাল হোসেন উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের চেঙ্গাহাটা গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে।
তিনি বাগমারা উত্তর বাজারের একটি বাণিজ্যিক ভবন ও মোটরসাইকেল গ্যারেজের মালিক। আর হামলাকারী সোহাগ একই গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। আহত ও হামলাকারী সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই।
প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা একসঙ্গে জোহরের নামাজ পড়ে বাগমারা কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বের হয়েছি।
মসজিদের সামনের সিঁড়ি বেয়ে জামাল ভাই নুর চটপটি সংলগ্ন গেলেই তার চাচাতো ভাই সোহাগ হঠাৎ তার বুকে ছুরিকাঘাত করে। মুহূর্তেই জামাল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং বুক থেকে রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। সম্ভবত তার ফুসফুসে আঘাত লেগেছে। তাৎক্ষণিক মসজিদের মুসল্লিরা আহত জামাল হোসেনকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
লালমাই থানার সেকেন্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল ফারুক বুধবার রাতে বলেন, বাগমারা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে জামাল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্থানীয়রা সোহাগ মিয়াকে আটক করে মারধর করতেছিল। খবর পেয়ে আমরা তাকে উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে পুলিশি হেফাজতে নিই এবং হামলায় ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করি।
পরে বুধবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর ছোট ভাই কামাল হোসেন বাদি হয়ে হত্যাচেষ্টার অপরাধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন।