শীতে চুলের যত্নে নারিকেল তেল না অ্যামন্ড ওয়েল
ছবিঃ সংগৃহীত।
শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।চুলে জবজব করে তেল মাখতে হবে এমনটি নয়, তবে গোসলের আগে শ্যাম্পু করার মিনিট ১০-১৫ আগে তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
তবে নারিকেল তেলের পাশাপাশি আপনি কাঠাবাদামের তেল কিংবা আমন্ড অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। এসব তেল শুধু চুল নয়, মুখেও ব্যবহার করেন অনেকে। কারণ ভিটামিন ই, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও বায়োটিন রয়েছে কাঠবাদামের তেলে। চুলের গোড়ায় পুষ্টি জুগিয়ে চুল মজবুত করতে সাহায্য করে এ তেল।
আবার অন্যদিকে চুলের যত্নে নারিকেল তেল খুবই ভালো। হোহোবা, আর্গন, জবার তেলসহ ইদানীং নানা রকম তেল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বহু যুগ ধরেই চুলে নারিকেল তেল মাখার চল রয়েছে। তার কারণও আছে।
এর মধ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে— নারিকেল তেল মাথার ত্বক আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। দ্বিতীত নারিকেল তেলে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা চুল মসৃণ করে। এতে থাকা ফ্যাট চুলের বর্ম হিসাবে কাজ করে। আর চুলের গভীরে গিয়ে ক্ষতির হাত থাকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রুক্ষ ভাব দূর করে নারিকেল তেল।
অন্যদিকে কাঠবাদাম তেলে চুলের আর্দ্রতা জোগায় এবং গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। আর চুল নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে কাঠবাদাম। আবার মাথার ত্বকে চুলকানির মতো সমস্যা থাকলে এটি ভালো কাজ করে। সেই সঙ্গে চুলে পুষ্টি জুগিয়ে চুলবৃদ্ধিতেও কাজ করে কাঠবাদাম।
কিন্তু এই শীতকালে আপনি কোন তেল বেছে নেবেন? যদি গুণের বিচারে বলি— দুই তেলই ভালো। নারিকেল তেল চুলে প্রোটিন ধরে রাখতে সাহায্য করে। মাথার ত্বকের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগায়। শীতের দিনে যাদের চুলের ধরন বেশি রুক্ষ ও জট পড়ে, তারা নারিকেল তেল মাখতেই পারেন।
আবার চুলের ধরন অনুযায়ী, সাধারণ বা একটু তৈলাক্ত হলে কাঠবাদামের তেল ভালো। তেল হালকা গরম করে মাখলে বেশি উপকার মিলবে। দুই তেলই শীতে মাখা যায়। চুলের ধরন, ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী এর মধ্যে একটি বেছে নিতে পারেন।