সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার স্বেচ্ছাচারিতায় ক্রিকেট বোর্ড কলঙ্কিত হয়েছে : আমিনুল
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে ক্রিকেট বোর্ডকে কলঙ্কিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এবং জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।
তিনি বলেন, ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়ে নতুন করে বলতে চাই না। গতকালও (২৫ জানুয়ারি) কথা বলেছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একটি প্রশ্নবিদ্ধ ক্রিকেট বোর্ড তৈরি হয়েছে, যেটি ইতোমধ্যেই আপনারা সকলেই জানেন। সেই ক্রিকেট বোর্ডে আমাদের যে সাবেক অনভিজ্ঞ ক্রীড়া উপদেষ্টা, তিনি তার স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে এই ক্রিকেট বোর্ড তৈরি করে ক্রিকেট বোর্ডকে কলঙ্কিত করেছেন এবং আমার ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।
সোমবার মিরপুর-৬ নম্বর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার পঞ্চম দিনে গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, এটার (বোর্ড গঠনে অনিয়ম) পেছনে যারাই জড়িত থাকুক না কেনো, ভবিষ্যতে নির্বাচনের পর আল্লাহ আমাদের যদি কবুল করে, এগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারণ কারো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য আমার ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। আমার দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না।
ক্রিকেট কূটনীতির অভাবেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে বলেও মনে করেন জাতীয় ফুটবল দলের এই সাবেক অধিনায়ক।
তিনি বলেন, যেখানে আমরা নিরাপত্তা চেয়েছিলাম, সেটা আমার অধিকার। আমার দেশ আগে, সেটা আমার অধিকার। সেখানে নিরাপত্তা জটিলতার কারণে আজকে বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না। আমরা যদি আরও সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতাম, আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসির বা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক পরিবেশের মাধ্যমে আমরা এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারতাম। সেখানেও অনেক অনভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে আমাদের বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড।
উল্লেখ্য, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে শ্রীলঙ্কায় ভেন্যু সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে আইসিসিকে আবেদন জানানো হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।