নাঙ্গলকোটে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুই প্রার্থীর অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুই প্রার্থীর অভিযোগ

ফাইল ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথীর বিরুদ্ধে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে জেলা রিটার্নিং অফিসারের নিকট দুই প্রার্থীর এজেন্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনি প্রধান এজেন্ট মনিরুল ইসলাম ও হাতপাখার প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট আব্দুল মমিন পৃথকভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ অভিযোগ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগে একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থনপুষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নির্দিষ্ট দলের সমর্থক দ্বারা ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা হলে ভোট কারচুপি, ব্যালট পেপার জালিয়াতি ও একপাক্ষিক পেশিশক্তি প্রয়োগসহ বিভিন্ন ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে।

আরও জানা যায়, ভোট কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনা প্রাধান্য পেয়েছে। এমনকি আগের অভিজ্ঞ শতাধিক শিক্ষকসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নন এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন, খণ্ডকালীন শিক্ষক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে মাত্র ৬ জনকে নেওয়া হয়েছে। যা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনি প্রধান এজেন্ট মনিরুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবিত কর্মকর্তাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে তাদের দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করি।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিজা আক্তার বিথী বলেন, সেরকম কিছু হলে জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা নেবেন।