খেতে বসে হেঁচকি? এসব টোটকা কাজে লাগান

খেতে বসে হেঁচকি? এসব টোটকা কাজে লাগান

ছবি: সংগৃহীত

হেঁচকি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েননি এমন মানুষ কমই আছে। একবার শুরু হলে এটি আর থামতেই যায় না। তাই মাঝেমধ্যে হেঁচকি নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়। ফুসফুসের নিচে থাকা ডায়াফ্রাম পেশির হঠাৎ সংকোচন হলে হেঁচকি ওঠে। অনেকসময় কোনো খাবার দ্রুত খাওয়ার চেষ্টা করলে, গরম ও মসলাদার খাবার খেলে কিংবা গরম খাবারের সঙ্গে ঠান্ডা পানীয় খেলে হেঁচকি ওঠে। 

হেঁচকি বন্ধ করার সবচেয়ে সহজ উপায় পানি খাওয়া। কিন্তু অনেকসময় এই টোটকায়ও কাজ হয় না। সেক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া উপায় কাজে লাগাতে পারেন। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই- 

১. শ্বাস ধরে রাখা

লম্বা শ্বাস নিয়ে অনেকক্ষণ তা ভেতরে ধরে রাখুন। নাক বন্ধ রাখবেন। শ্বাস ধরে রাখতে যখন পারবেন না, তখন ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এই পদ্ধতি কয়েক বার করলেই হেঁচকি কমে যাবে।

২. কানে আঙুল 

দু’কানে দুই আঙুল ঢুকিয়ে চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে থাকুন। এক্ষেত্রেও শ্বাস চেপে রাখবেন। দেখবেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেছে। 

৩. মাখন বা চিনি 

হেঁচকি ওঠা শুরু করলে এক চামচ মাখন বা চিনি খান। মাখনের ফ্যাট ও চিনির শর্করা হেঁচকি কমাতে সাহায্য করে। খেতে বসে হেঁচকি ওঠা শুরু হলে এই টোটকা কাজে লাগাতে পারেন।

৪. লেবু 

লাঞ্চে বসে হেঁচকি উঠলে কাজে আসতে পারে পাতিলেবু। লেবুর টক ভাব ডায়াফ্রাম পেশিগুলোকে উত্তেজিত করে। হেঁচকি উঠলে মুখের মধ্যে এক টুকরো লেবু পুরে ফেলুন। চাইলে লেবু চুষেও খেতে পারেন। হেঁচকি থেমে যাবে। 

৫. বরফ 

পানি খেয়েও হেঁচকি না কমলে বরফের সাহায্য নিন। হেঁচকি উঠলে মুখে এক টুকরো বরফ পুরে নিন। অস্বস্তি হলেও বরফটা মুখে রাখুন। খানিকটা গলে গেলে গিলে ফেলুন। হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে নিমেষে।

৬. ব্যায়াম 

ব্যায়ামের মাধ্যমেও হেঁচকি বন্ধ করা যায়। দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরুন। এবার সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ুন। এই অবস্থায় ৫ সেকেন্ড থাকুন। তারপর পুনরায় এই ব্যায়াম করুন এবং কিছুক্ষণ ওই অবস্থায় থাকুন। এতেও হেঁচকি কমবে।