উদ্বেগে চট্টগ্রামের মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের পরিবার
সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে চট্টগ্রামের কয়েক লাখ প্রবাসী পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবে ওই অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে দেশের স্বজনরা শঙ্কিত। স্বজনদের অনেকেই চাইছেন, তাদের প্রিয়জন বিদেশের মাটিতে ভালো থাকুক কিংবা ফিরে আসুক নিরাপদে।
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, আমার পরিবারের একাধিক সদস্য মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আছেন। গ্রামের বাড়িতে তাদের মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রী’র প্রতিটি ঘন্টা কাটছে অজানা আতঙ্কে। না জানি কি হয়, কোন মুহুর্তে ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন আঘাত করে। কেড়ে নেয় পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটিকে। এরইমধ্যে বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের অংশবিশেষের আঘাতে তারেক নামের সন্দ্বীপের এক যুবক মারা যাওয়ার পর পরিবারগুলোর উৎকন্ঠা আরও বেড়েছে।
বেলায়েত হোসেন জানান, প্রতি বছর ঈদের সময় মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসীরা বাড়িতে প্রচুর টাকা-পয়সা পাঠাতেন। এবার হামলার ভয়ে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। বাড়িতে টাকাও পাঠাতে পারেননি অনেকে। তাই প্রবাসী বহু পরিবারের ঈদ আনন্দ এক কথায় মাটি হয়ে গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রায় ২০ লাখ প্রবাসী কর্মরত আছেন। চট্টগ্রাম জেলার রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, পটিয়া, হাটহাজারীসহ বিভিন্ন উপজেলার মোট ৭-৮ লাখ প্রবাসী মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছেন।