বেসরকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগে পদসংখ্যা কমলো

বেসরকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগে পদসংখ্যা কমলো

এনটিআরসিএ লোগো।। ফাইল ছবি।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগের পদসংখ্যা আরো কমানো হয়েছে। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে পদ ছিলো ১২ হাজার ৯৫১টি। পরে ফের তা কমিয়ে ১১ হাজার ১৫১টি পদের বিপরীতে আবেদন নেয়া হচ্ছে। দ্বিতীয়বার সংশোধনের পদসংখ্যা মোট কমেছে এক হাজার ৮০০টি।

রোববার এনটিআরসিএ’র সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে।

নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফরমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন শুরু হয়েছে ২৮ মার্চ থেকে এবং শেষ সময় ৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষার ফি ৩৫০ টাকা, যা ৫ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত জমা দেয়া যাবে।

পর প্রার্থীদের ১ ঘণ্টার এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে, যেখানে মোট ৮০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০ দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে। এমসিকিউতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মোট নম্বর ১০০ এবং পাস নম্বর ৪০ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শূন্যপদ রয়েছে। এই অধিদপ্তরের অধীনে স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষের শূন্যপদ ৩৭৫টি, স্নাতক (পাস) কলেজে উপাধ্যক্ষের শূন্যপদ ৪১৩টি। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষের শূন্যপদ ৪০৮টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের শূন্যপদ ১৫৩টি।

চারুকলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষের শূন্যপদ ২টি। চারুকলা ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষের শূন্যপদ ৫টি। চারুকলা প্রি-ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষের পদ ১টি।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে ২ হাজার ৮৮১টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে ৩ হাজার ২৯৬টি। নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের সংখ্যা রয়েছে ৩৭৪টি। সব মিলিয়ে এ অধিদপ্তরে মোট শূন্যপদ প্রায় ৭ হাজার ৯০৮টি।

অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানে মোট ১১২টি শূন্যপদ রয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ৫৮টি। কৃষি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ১০টি। ভোকেশনালের সুপারের শূন্যপদ রয়েছে ২২টি। ভোকেশনালের সহ- সুপারের শূন্যপদ রয়েছে ২২টি।

এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে দাখিল পর্যায়ে মাদরাসা সুপারের ৮৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে। দাখিল পর্যায়ে মাদরাসা সহ-সুপারের শূন্যপদ রয়েছে ১ হাজার ৪টি। অপরদিকে আলিম পর্যায়ের মাদরসায় অধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ২১৯টি, আলিম পর্যায়ের মাদরসায় উপাধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ৩৭৭টি। কামিল পর্যায়ে মাদরাসায় অধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ৩৪টি, উপাধ্যক্ষের শূন্যপদ রয়েছে ৫৩টি। এ তিন স্তর মিলিয়ে মোট শূন্যপদ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১৩১টি।

সব অধিদপ্তরের মোট শূন্যপদের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ হাজার ১৫১টি যা আগের প্রথম সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে ছিলো ১২ হাজার ৯৫১টি, তবে এ সংখ্যা কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ।