বিরোধীদলে থাকতে সংবিধান ছুড়ে ফেলতে চায়, ক্ষমতায় গেলেই হাসিনা হয়ে যায়

বিরোধীদলে থাকতে সংবিধান ছুড়ে ফেলতে চায়, ক্ষমতায় গেলেই হাসিনা হয়ে যায়

ছবি: প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট বলেছেন একাত্তরের মুক্তিকামী জনতার সাথে প্রথম গাদ্দারী করেছিল শেখ মুজিব সরকারের প্রণীত সংবিধান। অথচ আইনমন্ত্রী বললেন সংবিধান নাকি আমাদের ব্যাসিস। এ সংবিধান যদি ব্যাসিস হয় তাহলে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও কেন এ সংবিধান মুক্তিকামী জনতাকে কে মুক্তি দিতে পারল না। আমরা দেখছি একটি দল যখন বিরোধী দলে থাকে তখন এ সংবিধানকে ছুড়ে ফেলতে চায় কিন্তু ক্ষমতার সাধ পাওয়ার পর তারাই এ সংবিধানকে কাছে টেনে হাসিনা হতে চায়।

বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১২টায় গণভোট বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে করা মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরো বলেন, ব্রিটিশরা যখন আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারল না তখন ৪৭ আসলো এবং পাকিস্তান ভাগ হলো। পাকিস্তান একইভাবে স্টিমরোলার চালালো এবং বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতা রাস্তাঘাটে তাদের প্রতিরোধ করল, এবং আমরা একটি স্বাধীন মানচিত্র পেলাম। একইভাবে আমরা একটি সংবিধান পেয়েছিলাম। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এ সংবিধান মুক্তিকামী জনতাকে মুক্তি দিতে পারলো না। বর্তমানে যারা জুলাই সংস্কার পরিষদ নিয়ে তালবাহানা করছেন, যারা বার বার সংবিধানের দোহাই দেন, সংবিধান যদি বাইবেলই হতো তাহলে ১৫ থেকে ১৬ বার কেন বাইবেল সংশোধন করা লাগলো। বিএনপি সরকারের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, আমরা শুধু বারবার জীবন দিয়ে যাব না। আমরা অতীতে দেখেছি বিএনপি জল পান করেছে তবে ঘোলা করে করেছে। এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট'র নেতৃত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পংকজ রায় ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মুবাশ্বির আমিন। মানববন্ধনে একাগ্রতা প্রকাশ করে নেতা কর্মী নিয়ে উপস্থিত হন শাখা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি, শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত এবং শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিশের সভাপতি জুনায়েদ খানসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।