মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও আলু বোঝাই দুই ট্রলার আটক
সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের কেকে খাল হচ্ছে মায়ানমারে অবৈধ পণ্য পাচারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। টেকনাফ পৌরসভার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকায় খালটির অবস্থান হওয়ায় চোরাকারবারিরা রাতের আঁধারে নৌকা বোঝাইপূর্বক পণ্য পাচার করে আসছে।
খালটি দিয়ে অবৈধ পণ্য পাচারের সময় শনিবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে দুটি ট্রলার আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় টহলরত সদস্যরা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে দুটি ট্রলারকে থামার সংকেত দেয়।
এসময় ট্রলারগুলো পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে সেগুলো আটক করা হয়।
আটক ট্রলারগুলোর একটিতে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট এবং অপরটিতে তেল, আলু ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব পণ্য অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ঘটনার পর ট্রলার দুটি জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি কর্তৃক জব্দ করা একটি ট্রলারের মালিক হচ্ছেন টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাংখার পাড়ার বাসিন্দা কাওসার আলম কালু এবং অপরটির মালিক উত্তর জালিয়া পাড়ার বাসিন্দা সোহেল।
কাওসার আলম কালু এবং সোহেল ছাড়াও আরো ৫/৬ জন পাচারকারির সিন্ডিকেট রয়েছে। এসব সিন্ডিকেট ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কেকে খালটি এক প্রকার দখলে নিয়ে রাতের আঁধারে ট্রলার বোঝাই পণ্য মায়ানমারে পাচার করে আসছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, কাওসার আলম কালু ও সোহেল তাদের দুটি ট্রলারের একটিতে ২০০ বস্তা সিমেন্ট এবং অপর ট্রলারে বিপুল পরিমাণের আলু (পটেটো) ও অন্যান্য নিত্যপণ্য পাচার করে আসছিল।
জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় পাচারবিরোধী নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।