সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে জাতীয় সংসদে গ্যালারি নামকরণ

সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে জাতীয় সংসদে গ্যালারি নামকরণ

সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারীর নাম পরিবর্তন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। 

সংসদ, যা দেশের গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, সেখানে এ নামকরণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পরিবর্তন নয়; বরং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথাকে স্থায়ীভাবে ধারণ করার একটি প্রতীকী উদ্যোগ। এর আগে গ্যালারিগুলোর নাম ছিল ফুল ও নদীর নামে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্তি প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, নতুন এই নামকরণের মাধ্যমে সেই স্থানগুলো এখন সরাসরি স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।

নতুন নামকরণ অনুযায়ী, গ্যালারি-৩ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ, গ্যালারি-৪ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, গ্যালারি-৫ বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, গ্যালারি-৬ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং গ্যালারি-৭ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের নামে করা হয়েছে।

এছাড়া ভিআইপি গ্যালারি-১ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এবং ভিআইপি গ্যালারি-২ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের নামে করা হয়েছে। গ্যালারি-১ ও গ্যালারি-২ সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত।

জাতীয় সংসদের গ্যালারিগুলোর এই নামকরণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি বীরত্ব ও ত্যাগের ইতিহাসকে আরও দৃশ্যমান করা হয়েছে।