লালমনিরহাটে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব
সংগৃহীত
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, বর্তমান সময়ে দেশের যুব সমাজকে গ্রামীণ খেলায় ফিরে আনার জন্যই সরকার সারাদেশে গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করছে। যুবসমাজ যাতে মাদক, ক্যাসিনো থেকে দূরে থাকে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করে এই জন্যই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এসো মুক্তির নতুন দিগন্তে দীপ্ত শপথে- এই স্লোগানে লালমনিরহাটের বড়বাড়িতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব।
এই উৎসবকে সামনে রেখে গ্রামীণ জনপদের হারিয়ে যাওয়া নানা রকম খেলায় ঢল নেমেছে হাজারো জনতার। শুক্রবার বৈশাখের অনুষ্ঠিত হয় উৎসবের মূল আকর্ষণ ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগীতা। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
ঘোড়া দৌড় ছাড়াও সর্বস্তরের হাজার হাজার মানুষ উপভোগ করেন হা-ডু-ডু, মোরগ ধরাসহ নানা রকম খেলা। শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এসব উৎসবের উদ্বোধন করেন মহাবিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
এসময় তিনি জানান, গ্রামের অবহেলিত মানুষকে একটু আনন্দ দিতেই গ্রামীণ জনপদের নানা ধরণের হারিয়ে যাওয়া খেলা যেমন- উটকুন দিয়ে দড়ি বুনন, চেংগুপেন্টি, মোড়গ ধরা, হা-ডু-ডু, চকোর চাল খেলা, লাঠি খেলা ও বাশেঁ ওঠা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক দুলু জানান, বর্তমান সময়ে দেশের যুব সমাজকে গ্রামীন খেলায় ফিরে আনার জন্যই এই উদ্যোগ। যুব সমাজ যাতে মাদক,ক্যাসিনো থেকে দূরে থাকে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করে এই জন্যই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আসা দর্শনার্থীরা এমন খেলা আয়োজন করার জন্য আয়োজকদেরকে ধন্যবাদ জানান। আগত মানুষগুলো বলেন, হারিয়ে যাওয়া খেলা গুলো আবারো জাগ্রত এমনটাই চাই আমরা।
স্থানীয়দের আয়োজনে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ওই মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা ঐতিহ্যবাহী এ ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘোড়া নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন সাওয়ারীরা। দেশ সেরা ও একমাত্র নারী সাওয়ারী ১০ম শ্রেণির ছাত্রী তসমিনা ঘোড়া নিয়ে শুক্রবার এ প্রতিযোগিতায় মাঠে নামে।