ব্রিটেনে জব্দ হওয়া অর্থ আইনি প্রক্রিয়ায় ফেরাতে হবে : ব্রিটিশ হাইকমিশনার

ব্রিটেনে জব্দ হওয়া অর্থ আইনি প্রক্রিয়ায় ফেরাতে হবে : ব্রিটিশ হাইকমিশনার

সংগৃহীত ছবি

ব্রিটেনে জব্দ হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

তিনি বলেন, আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করতে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এটি এমন কিছু নয়, যা রাতারাতি ঘটে যেতে পারে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জব্দ হওয়া অর্থ ফেরাতে হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব)’ আয়োজিত ‘ডিকাব টকে’ অংশ নেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ২০২৫ সালের জুন থেকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে। এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার অখণ্ডতা এবং আইনের শাসন বজায় রাখার প্রতি যুক্তরাজ্যের দৃঢ় প্রতিজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এই অর্থ ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে।

তিনি জানান, এই ধরনের আর্থিক অপরাধ দমনে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাজ্য এই গ্রীষ্মে লন্ডনে একটি ‘ইলিসিট ফিন্যান্স সামিট’ (অবৈধ অর্থায়ন বিষয়ক সম্মেলন) আয়োজন করবে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যারা যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো সহযোগিতা দেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে না।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য সরকারকে যুক্তরাজ্য সহায়তা দিয়ে আসছে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংস্কার ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহযোগিতা করছে যুক্তরাজ্য।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানান, এই সংঘাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত। যুক্তরাজ্য এই সংঘাত নিরসনে পর্দার আড়ালে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।