এলডিসি উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা প্রয়োজন : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ উত্তরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহায়তা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ঢাকা উত্তরণকাল বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে এবং নভেম্বর ২০২৯ সালের মধ্যে উত্তরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশে অবস্থিত আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, শীর্ষ ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব, চেম্বারের সদস্য এবং অন্যান্য অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন, যা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্য খাতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের একটি বিস্তৃত ও প্রভাবশালী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ঔষধশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে রপ্তানি পরিধি আরও বিস্তৃত হয়।
তিনি রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং বিনিযোগ প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অংশীদারিত্ব বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চা উন্নয়ন ও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে ভুলতে চেম্বারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।