ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে সরকারের জরুরি সতর্কবার্তা
প্রতীকী ছবি।
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
রোববার মন্ত্রণালয়ের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, সম্প্রতি একটি সংবাদকে ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি পরিষ্কার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মানবপাচারের অভিযোগে আলোচিত এজেন্সিটির নাম ড্রিম হোম ট্রাভেলস, যা “ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড”–এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
তথ্যবিবরণীতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি “রাশিয়ায় যুদ্ধে আট বাংলাদেশি” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর তদন্তে দেখা যায়, ড্রিম হোম ট্রাভেলস–এর লাইসেন্স ২০২১ সালের ৩ এপ্রিলেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী এম এম আবুল হাসান।
মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩ অনুযায়ী দেশে সব ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন ও নবায়ন সম্পন্ন করতে হয়।
নিবন্ধন ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ সনদে ব্যবসা পরিচালনা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
সাম্প্রতিক সময়ে অনেক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নবায়ন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়।
এ অবস্থায় ভ্রমণকারী ও গ্রাহকদের অনিবন্ধিত কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, টিকিট বা ট্যুর প্যাকেজ কেনার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন ও নবায়নের তথ্য ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত। এতে প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।