কক্সবাজারে ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিকি ছবি
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযানে ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে ফাঁকা গুলি ছোড়েন বিজিবি সদস্যরা। এতে অন্যরা মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে গেলেও এক যুবককে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি।
শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন উখিয়াস্থ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ইছাকের ঘের এলাকায় সন্দেহভাজন তিন চোরাকারবারিকে থার্মাল ডিভাইসের মাধ্যমে শনাক্ত করে বিজিবি। উপস্থিতি টের পেয়ে তারা মিয়ানমারের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি নন-লেথাল অস্ত্র থেকে ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় তারা তিনটি পলিথিনের পোটলা ফেলে পালিয়ে যায়। তল্লাশি করে সেখান থেকে ৬ কোটি ৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ২ লাখ ১২ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুইজারখাল এলাকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। তারা পালানোর চেষ্টা করলে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তখন তারা দুটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। ব্যাগ থেকে আনুমানিক ৯ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল মাস্টারের ঘের এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আমিন (২০) নামে এক যুবককে আটক করে। তল্লাশিকালে তার কাছে থাকা কাপড়ের পোটলা থেকে ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। আটক আমিন উখিয়ার বালুখালী এলাকার বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আমিন স্বীকার করেন, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন তিনি।
বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ’