জাপান-তিউনিসিয়া ম্যাচে রেফারিদের থাকছে বিশেষ ব্যাজ
সংগৃহীত ছবি
গ্রুপ পর্বের এখন পর্যন্ত ম্যাচ হওয়ার পর আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা। তবে রোববারের জাপান-তিউনিসিয়া ম্যাচটি অন্য এক কারণে জায়গা করে নিয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপ ইতিহাসে অনুষ্ঠিত হবে ১০০০তম ম্যাচ। ১৯৩০ সালে যাত্রা শুরুর ৯৬ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসর স্পর্শ করতে যাচ্ছে এক অনন্য মাইলফলক।
ঐতিহাসিক এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রোমানিয়ার রেফারি ইস্তভান কোভাচ পরবেন বিশেষ নকশার জার্সি। গোলাপি রঙের জার্সিতে থাকবে সোনালি স্ট্রাইপ, আর বুকে শোভা পাবে বিশ্বকাপ ট্রফির ছবি সংবলিত বিশেষ একটি সোনালি ব্যাজ।
ব্যাজটিতে লেখা থাকবে ‘ম্যাচ ১০০০ ফিফা বিশ্বকাপ’। ফিফার রেফারিজ বিভাগের প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাজ উন্মোচন করেছেন।
এ প্রসঙ্গে কলিনা বলেন, জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের একটি বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারির জন্য স্মারক হিসেবে এই বিশেষ ব্যাজ ও জার্সির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। তখন হয়ত কেউ কল্পনাও করেনি যে একদিন এই টুর্নামেন্ট বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসরে পরিণত হবে।
সময়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যাও। ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল এবং অনুষ্ঠিত হবে মোট ১০৪টি ম্যাচ।
ফিফার দৃষ্টিতে, জাপান ও তিউনিসিয়ার এই ম্যাচটি বিশ্বজুড়ে ফুটবলের বিস্তার ও জনপ্রিয়তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। শতবর্ষ পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বকাপের ম্যাচসংখ্যা এক হাজারে পৌঁছানো সেই বিকাশেরই প্রতিফলন।