এই ৩ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার ওয়াইফাই অন্য কেউ ব্যবহার করছে

এই ৩ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার ওয়াইফাই অন্য কেউ ব্যবহার করছে

ছবি: সংগৃহীত

এখন প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ওয়াইফাই সংযোগ রয়েছে। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন না যে তাদের অজান্তেই অন্য কেউ এই সংযোগ ব্যবহার করছে কি না। হ্যাকাররা ওয়াইফাই হ্যাক করলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া, ডেটা দ্রুত শেষ হওয়া, এমনকি ব্যক্তিগত তথ্য চুরির মতো বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আপনার ওয়াইফাই হ্যাক হয়েছে কি না তা বোঝার তিনটি সহজ লক্ষণ এবং সুরক্ষার উপায় নিচে দেওয়া হলো-

ওয়াইফাই হ্যাক হওয়ার ৩ লক্ষণ
কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারনেটের গতি অনেক কমে যাওয়া ওয়াইফাই হ্যাক হওয়ার সবচেয়ে বড় লক্ষণ। এছাড়া আপনার ইন্টারনেট ডেটা প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া হ্যাকিংয়ের ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় বাড়িতে কোনো ডিভাইস ব্যবহার না করা সত্ত্বেও যদি রাউটারের বাতি অনবরত জ্বলতে-নিভতে থাকে, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি।

হ্যাক হয়েছে কি না জানার উপায়
আপনার ওয়াইফাই হ্যাক হয়েছে কি না তা জানতে রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেলে লগ-ইন করুন। যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে রাউটারের আইপি অ্যাড্রেস (সাধারণত ১৯৯.১৬৮.১.১ বা ১৯৯.১৬৮.০.১) লিখুন, যা রাউটারের পেছনে দেওয়া থাকে। লগ-ইন করার পর ‘কানেক্টেড ডিভাইস’ বা ‘অ্যাটাচড ডিভাইস’ অপশনে ক্লিক করলেই বর্তমানে সংযুক্ত থাকা সব ডিভাইসের তালিকা দেখতে পাবেন। সেখানে কোনো অপরিচিত ডিভাইসের নাম দেখা গেলে নিশ্চিত হতে পারেন যে অন্য কেউ আপনার সংযোগ ব্যবহার করছে।

সুরক্ষিত থাকার কৌশল
অপরিচিত কোনো ডিভাইস খুঁজে পেলে প্রথমেই আপনার ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন। পাসওয়ার্ডটি হতে হবে শক্তিশালী এবং সহজে অনুমান করা যায় না এমন। পাশাপাশি ওয়াইফাইয়ের নাম অর্থাৎ এসএসআইডি পরিবর্তন করে দিন, এতে সংযুক্ত থাকা অচেনা ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত মুহূর্ত সুরক্ষিত রাখতে স্মার্টফোনের ৭টি জরুরি সেটিংস

এছাড়া নিরাপত্তার জন্য রাউটারে ডব্লিউপিএ২ (WPA2) বা ডব্লিউপিএ৩ (WPA3) এনক্রিপশন চালু রাখা জরুরি। একই সঙ্গে রাউটারের ডব্লিউপিএস (WPS) ফিচারটি বন্ধ করে দিন, কারণ এই ফিচারের মাধ্যমে হ্যাকাররা খুব সহজে ওয়াইফাই হ্যাক করতে পারে।