ভারের গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ

ভারের গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন, স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ

ফাইল ছবি

সাভারে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে এক দম্পতি দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাভার মডেল থানার মজিদপুর দিঘীরপাড় মসজিদবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভোরের দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। 

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন কাওসার ও তার স্ত্রী রুবি। তারা দুজনই পোশাক কারখানার কর্মী। আগুনে কাওসারের শরীরের প্রায় ১০০ শতাংশ এবং রুবির শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, সাভারের একটি দুইতলা ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসায় থাকতেন ওই দম্পতি। রাতে ঘরের ভেতরে কয়েল জ্বালানোর সময় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে দুজনই দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। 

কায়সারের বাবা সীমান শেখ বলেন, তার ছেলে ও পুত্রবধূ একটি দোতলা ভবনের নীচতলায় ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে তারা ঘরে মশার কয়েল ধরানোর জন্য দিয়াশলাই জ্বালাতেই ঘরে জমে থাকা গ্যাসে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করা হয়। 

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলছেন, আগুনে কায়সারের শরীরে ১০০ শতাংশ এবং তার স্ত্রী রুবির শরীরে ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। পোড়ার পরিমাণ বেশি থাকায় তাদের দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের আইসিইউ নেওয়া হয়েছে। 

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার পুলিশ পাঠানো হয়েছে তদন্ত কাজ চলছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এদিকে সাভারস্থ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্টিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম জানান, গ্যাস সরবরাহ কম হওয়ায় আবাসিক এলাকাগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাসের ঝামেলা আছে। মজিদপুর এলাকার গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুনে ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষা করা হচ্ছে অবৈধ কোন গ্যাস সংয়োগ নেওয়া হয়েছে কিনা। তদন্তের কাজ চলছে।