সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

সংগৃহীত ছবি

সব ধর্মের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক  মোঃ শফিকুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) রাজধানীর রামপুরার হাতিরঝিলে শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহাযজ্ঞ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি বৈষম্যহীন ও পরিচ্ছন্ন রাজধানী গঠনে সরকারের পাশাপাশি নগরবাসীকেও এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তির দেশ, এখানে ধর্ম নিয়ে কোনো বিভেদ নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে এবং একে অপরে মিলেমিশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবেন।

তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায় যেভাবে সহযোগিতা করেছে, আগামীতেও সেই ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীতে আমি দলীয় মনোনয়ন পাই বা না পাই, প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন, আপনারা তার প্রতি সমর্থন বজায় রাখবেন। আমি ব্যক্তি হিসেবে থাকি বা না থাকি, সব সময় আপনাদের পাশে ছিলাম এবং থাকব।

প্রশাসক বলেন, আপনারা জানেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী কঠিন দিনগুলোতে আমরাই আপনাদের মন্দির ও বাসাবাড়ি পাহারা দিয়ে পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে আপনাদের সুরক্ষায় আমরা পাশে থাকব। কোনো ধরনের বৈষম্যের স্থান এই বাংলাদেশে হবে না।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সিটি কর্পোরেশনের দ্বারে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যখনই কোনো প্রয়োজনে এসেছেন, সাধ্যমতো সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আপনাদের মন্দির ও বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন, যেন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তা সহজে অপসারণ করতে পারে। একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ঢাকা শহর গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।