‘মক্কা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর মিত্রদের আস্থা হারানোরই একটি ইঙ্গিত’
সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ‘এই যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এক সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
শনিবার (৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই চুক্তি মূলত ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিরাপত্তার প্রতি মিত্রদের আস্থা হারানোরই একটি ইঙ্গিত।
সিএনএনের সাংবাদিক এলেক্স মাইকেলসনের সঙ্গে আলাপকালে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার হিল উল্লেখ করেন, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী এই তিনটি দেশই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সার্বিয়ায় নিযুক্ত সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ মোট পাঁচবার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করা ক্রিস্টোফার হিল বলেন, তারা সবাই এখন বিশ্বাস করে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রয়োজনে পাশে থাকবে না। তাই নিজেদের আঞ্চলিক উদ্যোগ ও পদক্ষেপগুলো জোরদার করার সময় এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এই চুক্তি পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের স্বার্থ ও সমস্যাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করছে, তা নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো কতটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।
এই চুক্তিতে ওয়াশিংটনের কোনো ভূমিকা নেই উল্লেখ করে ক্রিস্টোফার হিল বলেন, এই চুক্তির কোথাও আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা বা ছাপ দেখতে পাবেন না।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ‘মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি’ নামে এ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
সূত্র: ডন