নোবিপ্রবিতে আউটকাম বেইজড এডুকেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

নোবিপ্রবিতে আউটকাম বেইজড এডুকেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সংগৃহীত

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ‘হ্যান্ডস-অন ট্রেনিং অন আউটকাম-বেইজড এডুকেশন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আউটকাম বেইজড এডুকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু রয়েছে। আমরাও যেনো প্রতিটি বিভাগে দ্রুত ওবিই কারিকুলাম চালু করতে পারি সেদিকে অগ্রসর হতে হবে। এটি প্রবর্তন করা গেলে সব পরীক্ষা হবে ওবিই কারিকুলামের ভিত্তিতে।”

এ সময় উপাচার্য ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবরেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা একসময় ইন্ডাস্ট্রি এবং জব মার্কেটে প্রবেশ করবে, সুতরাং আমাদের জব মার্কেট ওরিয়েন্টেড সিলেবাস প্রণয়ন করতে হবে। সেটা করার জন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে। সাবজেক্ট রিলেটেড যে জবগুলো রয়েছে, সেসব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বুঝতে হবে তারা কি চাচ্ছে এবং সেই ওরিয়েন্টেড কোর্সগুলো চালু করতে হবে।”

উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী আরো বলেন, “ওবিই কারিকুলাম তৈরিতে এক্সপার্ট যারা রয়েছেন তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে নোবিপ্রবি অ্যালামনাইসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সবার মতামত নেয়া যেতে পারে।”

আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হাছান উদ্দীন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক আসাদুন নবী। কোর্স ডিরেক্টর ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) অধ্যাপক শিবলুর রহমান। প্রোগ্রাম মডারেটর হিসেবে ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) জি এম রাকিবুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।