লজ্জার রেকর্ড এড়াল বাংলাদেশ

লজ্জার রেকর্ড এড়াল বাংলাদেশ

সংগৃহীত

টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বনিম্ন এবং অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বনিম্ন—একে একে প্রায় সব নেতিবাচক রেকর্ডই ছুঁয়ে ফেলার শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশের। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ডও গড়ার শঙ্কায় পড়েছিল লাল-সবুজেরা। 

তবে শেষ পর্যন্ত শেষ উইকেটে এসে সেই লজ্জার রেকর্ড থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। প্যাট কামিন্সের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলীয় সংগ্রহ ৪৩ রানে নেন শরীফুল ইসলাম। এরপর জশ হ্যাজলউডকে চার মেরে রান আরও বাড়িয়ে ৪৭-এ নিয়ে যান তাইজুল ইসলাম।

এতে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটি এখনো অক্ষত থাকল। সেটিই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। ফলে ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার সেই পুরোনো রেকর্ডটি এবারও বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবেই থেকে যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৩ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬৩ রান। তাইজুলের সঙ্গে উইকেটে আছেন শরিফুল।

এর আগে, মিচেল স্টার্কের আগুনঝরা বোলিংয়ে মাত্র ২১ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিম, অভিজ্ঞ মুমিনুল হক, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম—কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।

এতে টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন ২৬ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডের শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের ১৫ রানের জুটিতে সেই লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ। তবে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডের ঝুঁকি থেকেই গিয়েছিল। সেটি এড়াতে আরও ৭ রান দরকার ছিল।