মেসিদের বিপক্ষে বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলার এবার বাংলাদেশের লিগে
ফাইল ছবি
২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্বের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি নাইজেরিয়া।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে মেসির গোলে এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি নাইজেরিয়া; ঠিক পরের মিনিটেই আহমেদ মুসার এক দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফেরে আফ্রিকান পরাশক্তিরা। আর মুসার সেই ঐতিহাসিক গোলের পেছনের মূল নেপথ্য কারিগর কে ছিলেন? মাইকেল বাবাতুন্দে!
বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসির বিপক্ষে আলো ছড়ানো সেই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এবার মাতিয়ে তুলবেন বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের আঙিনা! ২০২৬-২৭ মৌসুমে আবাহনীর জার্সি গায়ে চাপাবেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা।
জাতীয় দলের হয়ে ২০১৩ সালে অভিষেক হওয়া বাবাতুন্দে সেই বছরই খেলেছেন ফিফা কনফেডারেশনস কাপে।
এরপর ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে দেশের হয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি।
ক্লাব ফুটবলেও বাবাতুন্দের ঝুলিতে রয়েছে ইউরোপ ও আফ্রিকার একাধিক শীর্ষ লিগে খেলার অভিজ্ঞতা। দেশের ক্লাব ‘হার্টল্যান্ড’ দিয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরুর পর তিনি খেলেছেন ইউক্রেনের ডিনিপ্রো, ভলিন লুৎস্ক ও ক্রিভবাসে। এরপর উত্তর আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মরক্কোর রাজা কাসাব্লাঙ্কায় যোগ দেন।
কাতার, আলবেনিয়া ও উজবেকিস্তানের লিগ ঘুরে তার সর্বশেষ গন্তব্য ছিল আলবেনিয়ার ক্লাব কেএস পোগরাদেসি।
আসন্ন নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে অভিজ্ঞ কোচ মারুফুল হকের অধীনে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ভরসা রাখছে নাইজেরিয়ান শক্তির ওপরই। বাফুফের নিয়ম অনুযায়ী এবার সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি নিবন্ধনের সুযোগ পাবে ক্লাবগুলো। বাবাতুন্দের পাশাপাশি আবাহনীর বিদেশি কোটায় জায়গা করে নিয়েছেন আরো তিন নাইজেরিয়ান—অ্যান্থনি ওকাচি, সানডে আফলোবি এবং বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের সুপরিচিত মুখ চিনেদু ম্যাথু। চিনেদু এর আগে বসুন্ধরা কিংস, শেখ জামাল, চট্টগ্রাম আবাহনী ও আরামবাগের হয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন।