ভারত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় ৮৮ জেলে

ভারত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় ৮৮ জেলে

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে ট্রলারডুবির ঘটনায় ভাসতে ভাসতে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া ৮৮ জন জেলে। তাদের ফেরার অপেক্ষায় স্বজনরা।

সোমবার (২৯ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ভারত থেকে মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার (২৬ আগস্ট) সকালের দিকে ইউনুস গাজী নামে একজন জেলের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ইউনুস গাজী পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার বিপিনপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শুক্কুর গাজীর ছেলে। তবে ৮৮ জনের মধ্যে বেশির ভাগ জেলে ভোলা, পটুয়াখালীর মহিপুর, আলীপুর ও বরগুনার পাথরঘাটা এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করে ভারতীয় উপকূল বাহিনী (আইসিজি), পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় মৎস্যজীবী এবং স্থানীয় পুলিশ। তাদের তৎপরতায় সেসব ট্রলার থেকে উদ্ধার হয়েছে ১২২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। উদ্ধার করা মৎস্যজীবীদের ধাপে ধাপে বাংলাদেশে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে সোমবার (২৯ আগস্ট) আরও পাঠানো হচ্ছে ৮৮ জন মৎস্যজীবীকে। ওইদিন ৮৮ জন মৎস্যজীবীদের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কালিন্দী নদীর ধরে তাদের প্রত্যাবাসন করানো হবে। এর আগে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) রাজ্যের হেমনগর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ভাসমান বিওপি থেকে দুজন মৎস্যজীবীকে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। একই দিনে ৩২ জন মৎস্যজীবীকে ভারতীয় কোস্টগার্ড গভীর সমুদ্রে বাংলাদেশি কোস্টগার্ডের হাতে তুলে দেয়।

ইউনুস গাজীর স্ত্রী ফাতিমা বেগম বলেন, আমার স্বামী সাগরে বাঁচার জন্য অনেক যুদ্ধ করেছে। তারপরও বাঁচাতে পারেনি। আমি একটু শেষ বারের মতো আমার স্বামীকে দেখতে চাই। আমার বাড়িতে কবর দিতে চাই।

বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, ভারতের কাকদ্বীপে ৪৬ জেলে, রায়দিঘি থানায় ১১, কোস্টাল পুলিশ স্টেশনে ১৭ জন এবং কেনিংয়ে ১৬ জন জেলে রয়েছে। তাদের মধ্যে কাকদ্বীপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহিপুরের ইউনুস গাজী মারা গেছেন।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে ইউনুস গাজীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আমরা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে চাচ্ছি, বাং

সূত্র: আরটিভি