হারাম টাকায় হজে গেলে আসমানের ঘোষক যা বলেন

হারাম টাকায় হজে গেলে আসমানের ঘোষক যা বলেন

ছবি: সংগৃহীত

হজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুকন। এটি এমন ইবাদত, যাতে শারীরিক ও আর্থিক উভয় দিক রয়েছে। তাই হজ করতে হবে হালাল সম্পদ দিয়ে। হারাম সম্পদের হজ কবুল হয় না এবং সওয়াবও পাওয়া যায় না। কারণ, ইবাদত কবুলের জন্য উপার্জন হালাল হওয়া শর্ত। (সুরা মুমিনুন: ৫১; সুরা বাকারা: ১৭২;সুনানে তিরমিজি: ২৯৮৯)

তাই হজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কবুলের জন্য বৈধ আয়ের সম্পদ হওয়া জরুরি। কেউ অবৈধ সম্পদের মাধ্যমে হজ করলে সে হজের সওয়াব পাবে না এবং তার হজ কবুলও হবে না। (আলবাহরুর রায়েক ২/৩০৯)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন- إِذَا خَرَجَ الرَّجُلُ حَاجًّا بِنَفَقَةٍ طَيِّبَةٍ، وَوَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ، فَنَادَى: لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، نَادَاهُ مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ: لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، زَادُكَ حَلَالٌ، وَرَاحِلَتُكَ حَلَالٌ، وَحَجُّكُ مَبْرُورٌ غَيْرُ مَأْزُورٍ، وَإِذَا خَرَجَ بِالنَّفَقَةِ الْخَبِيثَةِ، فَوَضَعَ رِجْلَهُ فِي الْغَرْزِ، فَنَادَى: لَبَّيْكَ، نَادَاهُ مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ: لَا لَبَّيْكَ وَلَا سَعْدَيْكَ، زَادُكَ حَرَامٌ وَنَفَقَتُكَ حَرَامٌ، وَحَجُّكَ غَيْرُ مَبْرُورٍ

অর্থ: ‘যখন কোনো ব্যক্তি হালাল সম্পদ নিয়ে হজ করতে বের হয়, বাহনে পা রাখে, উচ্চারণ করে: লাব্বাইক! আল্লাহুম্মা লাব্বাইক! তখন আসমান থেকে ঘোষক ঘোষণা দেয়- লাব্বাইক ওয়া সা’দাইক তথা তোমার কল্যাণ হোক। তোমার আসবাব হালাল। তোমার বাহন হালাল। আর তোমার হজ মকবুল।

আর যদি হারাম সম্পদ নিয়ে হজে বের হয়, বাহনে পা রাখে, আর মুখে বলে: লাব্বাইক! তখন আসমান থেকে একজন ঘোষক ঘোষণা দেয়- লা লাব্বাইক ওয়া লা সা’দাইক তথা তোমার লাব্বাইক মকবুল নয়। তোমার আসবাব হারাম। তোমার ভরণপোষণের ব্যয় হারাম। তোমার হজও মকবুল নয়।’ (মুজামে আওসাত: ৫২২৮)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হারাম থেকে দূরে থেকে সারাজীবন হালাল উপার্জনের তাওফিক দান করুন। হজ, কোরবানির মতো ইবাদত হালাল সম্পদ দিয়ে সম্পাদন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।