গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, গ্রেফতার ৩

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, গ্রেফতার ৩

প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে পাপিয়া বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মূলহোতাসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। নিহত পাপিয়া বেগম একই এলাকার নুরুল হক মাস্টারের মেয়ে ও মনোহরপুর এলাকার রিজু মিয়ার স্ত্রী।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন পলাশবাড়ি উপজেলার বিরামের ভিটা এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে রাব্বি মিয়া (২৬) ও পাপুল মিয়া (৩০) ও পাপুলের স্ত্রী ইসমোতারা বেগম (২৬)। শনিবার (০১ জুন) দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানাধীন চর কাশিপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

রবিবার (২ জুন) সকাল ১০ টার দিকে র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধার স্কোয়াড্রন লিডার মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাশবাড়ি উপজেলার বিরামের ভিটা এলাকার নিহত পাপিয়া বেগমের সাথে একই এলাকার রাব্বি মিয়া, পাপুল মিয়া ও ইসমোতারাদের সাথে পূর্ব থেকে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১৮ মে সকালে গ্রেফতার আসামীরাসহ আরও অনেকে পাপিয়াকে ঘটনাস্থলে পেয়ে লোহার রড, ধারালো ছোড়া, বাঁশের লাঠি এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমন করে এবং গলার নিচে ধারালো ছোড়া দ্বারা শ্বাসনালী কেটে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা পাপিয়াকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত পাপিয়ার ভাই আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাব্বি মিয়াকে প্রধান আসামি করে এজাহার নামীয় ৮ জন ও অজ্ঞাত আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়। এরপর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন।

ওই মামলার প্রেক্ষিতে ছায়াতদন্ত শুরু করে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (০১ জুন) দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধা ও র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা মডেল থানাধীন চর কাশিপুর এলাকা থেকে আসামী রাব্বি মিয়া, পাপুল মিয়া ও পাপুলের স্ত্রী ইসমোতারা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।

মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, গ্রেফতাররা পাপিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি বলে স্বীকার করেছে। আসামিদেরকে পলাশবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।