নাটোরে হত্যা মামলায় ২৪ বছর পর যুবকের যাবজ্জীবন

নাটোরে হত্যা মামলায় ২৪ বছর পর যুবকের যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

 

নাটোরের সোহেল রানাকে (১৫) লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার দায়ে মোজাফফর হোসেন মন্টু (৩৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা ৪র্থ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন।  

একই মামলায় অপর দুই আসামি রেজাউল করিম ও মুক্তার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করা হয়। বুধবার বিকেলে আসামীদের উপস্থিতে এ রায় ঘোষনা করেন বিচারক। 

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর হোসেন মন্টু লালপুর উপজেলার পুরতান ঈশ্বরদী এলাকার বাসিন্দা মুনসাদ আলীর ছেলে। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে ৪ ফেব্রুয়ারী লালপুর উপজেলার পুরাতন ঈশ্বরদী মাঠে নিজের জমিতে বাবা মুকুল হোসেনের সাথে সকালে কলা গাছ রোপন করতে যায় কিশোর সোহেল ও তার ভাই সোহাগ। সেসময় রেজাউল করিম, মোজাফফর হোসেন ও মুক্তার আলী লাঠি, লোহার রড নিয়ে তাদের জমিতে গিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। মোজাফফরের লাঠির আঘাতে গুরতর আঘাত প্রাপ্ত হয় সোহেল। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ১০ ফেব্রুয়ারী মৃত্যুবরন করেন সোহেল। ঘটনার পর সোহেল হোসেনের বাবা মুকুল হোসেন বাদি হয়ে লালপুর থানায় রেজাউল করিম, মোজাফফর হোসেন ও মুক্তার আলীর নাম উল্লেখ করে একটি এজাহার দায়ের করেন। সোহেল রানা মারা যাওয়ার পরে এজাহারটি মামলা হিসেবে গন্য করে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। 

নাটোর জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন তালুকদার টগর জানান, আদালতের বিচারক দীর্ঘ দিন মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ শেষে অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।