চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা, মরদেহ ফেলে রাখা হয় দোকানের পাশে

চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা, মরদেহ ফেলে রাখা হয় দোকানের পাশে

প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চোর সন্দেহে কবির হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের বেলালের দোকান এলাকার পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত কবির হোসেন সদর উপজেলার নোয়াইন্ন ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজারসংলগ্ন গাইনেগো বাড়ির বাসিন্দা। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, তিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসান ওয়ার্কশপের মালিক হোসেনের দোকান থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে কবিরকে সন্দেহ করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর বাড়ি থেকে হোসেনসহ কয়েকজন যুবক তাঁকে ধরে নিয়ে যান। পরে বিভিন্ন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাঁকে নির্যাতন ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের একপর্যায়ে কবিরের মৃত্যু হলে তাঁর মরদেহ নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে বেলালের দোকানের পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (তদন্ত) দায়িত্বে থাকা ইদ্রিসুর রহমান যুবকের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কবিরকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাঁর মরদেহ দেবীপুর গ্রামে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, কারও বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি নজরুল ইসলাম জানান, তিনি তখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে থাকায় এ বিষয়ে কথা বলতে পারছেন না।