কুতুবদিয়ায় সরকারি কর্মচারীর মারধরে গুরুতর আহত কিশোর

কুতুবদিয়ায় সরকারি কর্মচারীর মারধরে গুরুতর আহত কিশোর

প্রতিকি ছবি

 

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের কর্মচারী বিশ্বজিৎ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে এক কিশোরকে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।  

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ঘটনার সময় বিশ্বজিৎ মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে তিনি স্টিলের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে ওই কিশোরের মাথা ফাটিয়ে দেন। নির্যাতনের একপর্যায়ে কিশোরকে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা

গুরুতর আহত হাফেজ মো. রাকিব (১৭) উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের উত্তর মগডেইল এলাকার মো. হোসেনের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে কিশোর রাকিবকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্মরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

ভুক্তভোগীর বাবা মো. হোসেন বলেন, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন।

সে চুরি করতে পারে না। বিশ্বজিৎ মদ খেয়ে তার ছেলেকে চোর অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরে ইলেকট্রনিক শক দিয়ে নির্যাতন করেছে।  

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সরকারি কর্মচারীর কাছ থেকে এমন নজিরবিহীন ও নৃশংস আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।

আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। ’

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।