বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ২০২৪ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থনীতি
চীনের অর্থনীতি সম্পর্কে গত ছয় মাস ধরে একের পর এক দুঃসংবাদ আসছে: প্রবৃদ্ধির ধীরগতি, তরুণদের মধ্যে রেকর্ড বেকারত্বের হার, বিদেশি বিনিয়োগে ভাটা, দুর্বল রপ্তানি আয়, স্থানীয় মুদ্রার দর পতন এবং আবাসন শিল্পে সংকট।
সরকার আইসিটি শিল্পের জন্য দুটি ডিজিটাল অর্থনীতি হাব (কেন্দ্র) প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। নীতি সহায়তা প্রদান, অধিকতর দক্ষতা উন্নয়ন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় উদ্ভাবকদের একটি সম্প্রদায় গড়ে তোলার মাধ্যমে ডিজিটাল অর্থনীতিবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ‘ভুল পথে’ চলছে বলে মতামত দিয়েছেন একটি জরিপে অংশ নেয়া বেশিরভাগ মানুষ। তারা মনে করেন, এর ফলে তাদের ব্যক্তিগত জীবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রত্যাশা, ২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে এবং ২০৪০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পদ্মা সেতুর রেল ও গ্যাসের সংযোগ কার্যকর হলে সেতুকে ঘিরে পর্যটন, শিল্পায়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে বেকারত্ব আরও কমবে, দারিদ্র্য সমস্যা সমাধানেও ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ঋণ সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে থমকে গেছে বিশ্ব অর্থনীতি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে ছোট অর্থনীতির দেশগুলো।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল রিজার্ভ-ডলারের সংকট, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী চাপসহ অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ের বাজেট প্রস্তাব ঘোষণা করতে যাচ্ছেন।
লাল-সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে মাত্র ৪ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করে । এর পরের বছর ৭২ সালে প্রথম ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। সেই বাংলাদেশ এখন অনেক দূর এগিয়েছে।