অন্তর্বর্তী সরকারের পর যে সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে তাদেরকে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
অন্তর্বর্তী সরকারের পর যে সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে তাদেরকে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। দিনরাত একাকার করে প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। জনগণকে দেওয়া হচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতি। কিন্তু দেশের জনগণ একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা করে? রাজনৈতিক দলগুলোকে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও সামনে বড় বড় কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দায়িত্ব নিতে যাওয়া নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় যে বাস্তবতা অপেক্ষা করছে, তা হলো চাপের মধ্যে থাকা অর্থনীতি। বাইরে থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল মনে হলেও ভিতরে জমে আছে অনেক সমস্যা। অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই এক ধরনের স্থবিরতা, অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা কাজ করছে, যা নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশেষ করে আর্থিক খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শুরু হওয়া কিছু সংস্কার
অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা কয়েক বছর ধরেই। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আশা ছিল তা কেটে যাবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। বেসরকারি খাতে আস্থার সংকট কেটে গিয়ে বিনিয়োগ চাঙা হবে।
বেকারত্ব কমবে। কিন্তু পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। বরং ক্ষেত্রবিশেষে আরো খারাপ হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, মাত্র এক মাস পরই অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন।
অর্থঋণ আদালত এবং বিকল্প বিরোধ আইন-২০০১ থাকলেও অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘আমরা কিছুটা হলেও উন্নতির দিকে যাচ্ছি। সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বহুলাংশে নিয়ে এসেছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অর্থনীতি ভেঙে পড়ার কোনো কারণ নেই।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ অর্থনীতির বাংলাদেশ গড়তে পারবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত ১৫ বছরে যারা লুটপাটে জড়িত তাদের শাস্তি দিন।
ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সম্প্রতি বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটি একাধিক বৈঠক করেছে।