পরকালে মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার হবে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ। মহান আল্লাহ জান্নাতিদের তাঁর সাক্ষাৎ দান করবেন।
আল্লাহর
ইসলামের ইতিহাসে লাইলাতুল মেরাজ অলৌকিক একটি ঘটনা। হিজরতের এক বা দেড় বছর আগে নবীজি যখন প্রিয়জন হারানোর বেদনায় ব্যথিত ছিলেন, কাফেরদের জুলুম-নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে সান্ত্বনাস্বরূপ আরশে আজিমে আমন্ত্রণ করেন।
মুমিনের জন্য জীবনের প্রতিটি নতুন দিনই মহান আল্লাহর নিয়ামত। প্রতিটি দিন তাকে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে অগ্রগামী হতে সাহায্য করে।
পৃথিবীর আহ্নিকগতির কারণে দিন-রাত্রি এবং বার্ষিকগতির প্রভাবে ঘটে ঋতুচক্রের পরিবর্তন। মহান আল্লাহর বাণী ‘তিনিই রাতকে দিনে এবং দিনকে রাতে পরিবর্তন করেন, তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়ন্ত্রণ করছেন;
জগতের শ্রেষ্ঠসন্তান আলেম সমাজ। সাধারণ মানুষ আলেমদের অনুকরণ-অনুসরণকেই আখেরাতের মুক্তির পাথেয় মনে করে। আলেমদের মর্যাদা সম্পর্কে কোরআন-সুন্নাহয় এত এত গুরুত্ব এসেছে যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ আলেমদের প্রতি মহব্বত রাখা সৌভাগ্য মনে করতে বাধ্য হয়েছে।
জগতের শ্রেষ্ঠসন্তান আলেম সমাজ। সাধারণ মানুষ আলেমদের অনুকরণ-অনুসরণকেই আখেরাতের মুক্তির পাথেয় মনে করে।
এমন অনেক গুনাহ আছে যেগুলো করলে শুধু একটি গুনাহ হয়, কোনো নেক আমল নষ্ট হয় না।
পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে, একদল আল্লাহর কাছে প্রিয় সম্মানিত। আর অন্য দল মহান আল্লাহর কাছে নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত।
মুমিনের জীবনে আল্লাহর জিকির বা স্মরণের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহর জিকিরকে নামাজ তথা ইবাদতের উদ্দেশ্য বলা হয়েছে।
জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে একজন মানুষ আল্লাহ তায়ালার নিকবর্তী হয়ে থাকেন। আল্লাহ তায়ালা তার কাছে দোয়া করা ব্যক্তিকে ভালোবাসেন
এবং তিনি সবসময় চান মানুষ যেন কাছে প্রার্থনা করে।