ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সব নথি তলব করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
ইভ্যালি
ইভ্যালিসহ চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বুধবার ই-ক্যাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার এক সাধারণ বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাবের সদস্যভুক্ত চারটি অনলাইন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
অর্ডারের পর মোটরসাইকেল না দেয়ায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কার হয়েছে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালে, অল্প সময়েই প্রতিষ্ঠানটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিল।ইভ্যালিতে মোটরসাইকেল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, পোশাক-আশাক, খাদ্য-পণ্যসহ যত ধরণের পণ্য বিক্রি হয় তার প্রায় সব কিছুর বিপরীতে ব্যাপক ছাড়, আর লোভনীয় ক্যাশব্যাক অফার যেমন ছিল, তেমনি ছিল দেশের নামী তারকাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করা, টিভি চ্যানেলসহ সব গণমাধ্যমে দর্শনীয় বিজ্ঞাপনসহ দৃষ্টি আকর্ষণের সব চেষ্টাই।
রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো: রাসেলের রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ আদায়ের ঘটনার মামলায় ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট।
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা হয়েছে।
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনসহ প্রতিষ্ঠানটির ২০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর অফিসগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আলোচিত ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি।
‘ইভ্যালি টি-টেন’ অফারের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে জরুরি নোটিশ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শনিবার রাত ১টা ১৮ মিনিটে ইভ্যালির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অর্ডার নেয়া বন্ধ করার বিষয়টি জানানো হয়।