ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (২২ জুন) সকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানান।
ইরানে হামলা
ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় চালানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা একটি ‘অসাধারণ সামরিক সাফল্য’।
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ইসরায়েল। মার্কিন গণমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং অন্য পশ্চিমা ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা ও হামলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে তারা বৈধ প্রতিরোধের লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে। আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী, এই দেশগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা জবাবও আসতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে তেহরান।
গোপনে ইসরাইলকে কয়েকশ অত্যাধুনিক হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানে দখলদার ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।শুক্রবার (১৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানায়।
ইরানের পাশে দাঁড়ালো মধ্যপ্রাচ্যের সব প্রভাবশালী দেশ। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে আছে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
ইরানের প্রতিরোধে পিছু হটেছে ইসরায়েল। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলের ড্রোনগুলো আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে। এরই মধ্যে ইরানে হামলা শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। খবর বিবিসির।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে ইরানে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলার সাথে তারা জড়িত নয়।