যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে প্রতিবেশী যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান।
ইরানের হামলা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে পাল্টা জবাব দিচ্ছে তেহরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দাবি, তাদের হামলায় অন্তত ২০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। তবে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) এ দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল শুরু করা হামলা দ্রুতই পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে বাহরাইন, দুবাই, কুয়েত এবং জর্ডানে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার দুবাইয়ের বিশ্ববিখ্যাত পাম জুমেইরাহ এলাকার ফাইভ-স্টার ফেয়ারমন্ট হোটেলে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের ইসরায়েলের ১৬ জনেরও বেশি পাইলট নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রাহিম-সাফাভি।
কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে শনিবার (২১ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোরে নতুন মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইসরাইলের বন্দরনগরী হাইফা, তেলআবিবে ও নেগেভ বিমানঘাঁটিতে আঘাত করেছে ইরানের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এতে দাউদাউ করে জ্বলছে ওই সব এলাকা।
ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ।
দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে শনিবার রাতভর ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলিয়েছে ইরান। এতে কমপক্ষে ৭ ইসরায়েলি নিহত ও দেড় শতাধিক আহত হয়েছে।
ইরানের হামলার ভয়ে ইসরায়েলে বিমান চলাচল বাতিল করেছে অন্তত সাতটি এয়ারলাইন্স। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ডেল্টা, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স, লুফথানসা, অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইন্স, ব্রাসেলস এয়ারলাইন্স ও এয়ার ইন্ডিয়া।