ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১৪২ জন।
ইসরাইলে
মুসলিম দেশগুলোকে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
ইসরাইলের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত ১৭ জুন ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের বাজান (BAZAN) রিফাইনারিতে (তেল শোধনাগার) আঘাত হানে।
ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শহর সিনজিল এখন কার্যত একটি উন্মুক্ত কারাগার। কারণ, শহরটির পূর্বপ্রান্তে পাঁচ মিটার উঁচু ধাতব বেড়া দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিম গাজায় সমুদ্রতীরবর্তী একটি ক্যাফেতে ইসরাইলের বিমান হামলায় অন্তত ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরাইলের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার দাবি জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
ইরান-ইসরাইল সংঘাতে দুই পক্ষের প্রাণহানি বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইলের সাম্প্রতিক একতরফা ও পরিকল্পিত এই হামলা ‘প্রতিরোধমূলক’ ছিল না; বরং এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৫৬ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৮ জনই ত্রাণ আনতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ইসরাইলের পরিকল্পনা কয়েক দিন আগে আটকে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের দুই মাসেরও বেশি সময় সম্পূর্ণ অবরোধের কারণে ছিটমহলে কমপক্ষে ৫৭ ফিলিস্তিনি অনাহারে মারা গেছেন।