ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় জেরুজালেম-ভিত্তিক আল কুদস সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক জাবের আবু হার্দোস এবং তার পরিবারের ছয় সদস্য নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি হামলা
গাজায় ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাদের অবিরাম গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ফের বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার দেশটি।
টানা আড়াই মাসেরও বেশি গাজা ও পশ্চিম তীরে নির্বিচার হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরাইলি হামলায় একদিনে প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আহত হয়েছে শত শত ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি হামলায় আহত আল জাজিরার আরবির সাংবাদিক সামির আবুদাকা মারা গেছেন। ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করা সামি ইসরায়েলি হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকে ছিলেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও জয়ী না হওয়া পর্যন্ত তারা গাজা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, আন্তর্জাতিক সমর্থন থাকুক বা না থাকুক গাজায় যুদ্ধ চলবে।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৩৩ কর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটির ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি (ইউএনআরডব্লিউএ)। ইউএনআরডব্লিউএ বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের একটি স্কুলে আবারও ইসরায়েলি হামলা হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। ভূখণ্ডটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ওই স্কুলে চালানো হামলায় তারা প্রাণ হারান। হামলার শিকার এই স্কুলটিতে বাস্তুচ্যুত লোকেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন
যুদ্ধবিরতির পর থেকেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েল আরও তীব্রতার সাথে হামলা চালানো শুরু করেছে। এতে ফিলিস্তিনের প্রখ্যাত এক বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতের ওই বিমান হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার গাজার উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরে জোড়া হামলার ঘটনায় ৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত লোকজনের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত জাতিসংঘের একটি স্কুলও রয়েছে।