করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
ওমিক্রন
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বেশির ভাগই ঢাকায়। বাংলাদেশে সংক্রমণের প্রথম দিকেও অন্যান্য স্থানের তুলনায় ঢাকায় বেশির ভাগ সংক্রমণ ঘটেছিল। এখন করোনার শেষ পর্যায়েও ঢাকা মহানগরীতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের ঘটনা ঘটছে।
বিশ্বজুড়ে মহামারী করোনাভাইরাসে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ১৩ হাজার ৪৬৯ জন। আর মারা গেছেন এক হাজার ৫১৮ জন মানুষ।
করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৫৮ জন।
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।
করোনার তান্ডবে থমকে ছিল গোটা বিশ্ব। তবে করোনার দাপট কমতে থাকায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছিল বিশ্বের সবকিছু। এর মাঝে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জন্য আবারও থমকে যাওয়া শুরু করেছে গোটা বিশ্ব।