ইন্টারনেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং, স্ট্রিমিং—সব কিছুর জন্যই দ্রুত এবং স্থিতিশীল ওয়াই-ফাই সংযোগ প্রয়োজন।
ওয়াইফাই
প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ? জানুন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে কী বলছেন। ওয়াইফাই রাউটার সারা রাত চালিয়ে রাখলে কী হবে ? রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কৃষি অনুষদের শ্রেণিকক্ষগুলোতে ওয়াইফাই সুবিধা চালু করা হয়েছে।
এই ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। বাসা-বাড়ি, অফিস, আদালত থেকে শুরু করে সর্বত্রই এখন ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে।
রাতে ঘুমানোর সময় আপনিও অন্যদের মত ওয়াইফাই রাউটার চালিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। তবে মনে প্রশ্ন আসে যে এই রাউটার বন্ধ করলে কি বিদ্যুৎ খরচ কম হবে? প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই ওয়াইফাই রাউটার কি রাতে বন্ধ করে রাখা উচিত ?
একটি ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার মূল রাউটার থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং সেই সিগন্যালটিকে পুনরায় সম্প্রচার (rebroadcast) করে। ফলে যে জায়গায় রাউটারের সিগন্যাল দুর্বল বা যায় না, সেখানে ইন্টারনেট পৌঁছায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবন সংলগ্ন শ্যাডোতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থা করেছে ঢাবি ছাত্রদল।
অনেকেই ঘর থেকে বের হলেই ফ্রি ওয়াইফাই জোন খোঁজেন। বাস, ট্রেন কিংবা রেল স্টেশনের পাবলিক ওয়াইফাইয়ের তরঙ্গ ফোনে কানেক্ট করতে চেষ্টা করেন। এছাড়াও অফিস-আদালত থেকে শুরু করে ক্যাফে কিংবা রেস্তোরাঁয় মেলে ফ্রি ওয়াইফাই ইন্টারনেট।
ওয়াইফাই ইন্টারনেট যেনো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণ ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে কম্পিউটার, ফোন, ট্যাবলেটসহ অন্যান্য ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।
বেশিরভাগ মানুষ ওয়াইফাই ইন্টারনেট রাউটার ২৪ ঘণ্টাই চালিয়ে রাখেন। ওয়াইফাই চালু থাকা অবস্থাতেই ফোনটি মাথার কাছে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন? রাতভরই চালু থাকে ওয়াইফাইয়ের রাউটার? কী ক্ষতি হচ্ছে শরীরের?